১৮ জানুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারিত একেএম ফারহাদ

পুবের কলম প্রতিবেদক: একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদকে অপসারণ করা হলো। আগেই ফারহাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। মঙ্গলবার জেলা পরিষদের তিতুমীর সভাকক্ষে স্থায়ী সমিতি সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে সাতজনের মধ্যে উপস্থিত পাঁচ জন সদস্যই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। ৫-০ ভোটেই ফারহাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়।

দফতরের নির্দিষ্ট সময়ে না আসা, দফতরের প্রয়োজনীয় কাজ ঠিকমতো না করা সহ একাধিক অভিযোগ এনেছিলেন স্থায়ী সমিতির সদস্যরা। মূলত স্থায়ী সমিতির তিন জন সদস্য লিখিত অভিযোগ আনেন। অভিযোগগুলি বন ও ভূমি দফতর কেন্দ্রিক কাজের ভিত্তিতেই- এমনটাই জানালেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী।

তিনি আরো জানান, এদিনের সভায় সর্বসম্মতিতে তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্ট জুডিশিয়াল কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। রিম্যুভাল ডিক্লিয়ারের পর কীভাবে নতুন কর্মাধ্যক্ষ নিয়োগ করা যায় সে ব্যাপারে স্থায়ী সমিতি আবার মিটিংয়ে বসবে।

Read more: মুসলিম পুরুষদের একাধিক বিয়ে রেজিস্ট্রিতে বাধা নেই: বম্বে হাইকোর্ট

বলা বাহুল্য একেএম ফারহাদ এর বিরুদ্ধে বেশ কয়েক মাস আগে এক মহিলার সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা ও অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। জনমহলে এই নিয়ে হইচই পড়ে যায় এবং তারই ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। যদিও এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি, বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ সহ স্থায়ী সমিতির কোনো সদস্য কেউই মুখ খুলতে চাননি।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরানে প্রাণহানি ও অস্থিরতার জন্য দায়ী ‘অপরাধী’ ট্রাম্প, মন্তব্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারিত একেএম ফারহাদ

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৪, বুধবার

পুবের কলম প্রতিবেদক: একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদকে অপসারণ করা হলো। আগেই ফারহাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। মঙ্গলবার জেলা পরিষদের তিতুমীর সভাকক্ষে স্থায়ী সমিতি সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে সাতজনের মধ্যে উপস্থিত পাঁচ জন সদস্যই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। ৫-০ ভোটেই ফারহাদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়।

দফতরের নির্দিষ্ট সময়ে না আসা, দফতরের প্রয়োজনীয় কাজ ঠিকমতো না করা সহ একাধিক অভিযোগ এনেছিলেন স্থায়ী সমিতির সদস্যরা। মূলত স্থায়ী সমিতির তিন জন সদস্য লিখিত অভিযোগ আনেন। অভিযোগগুলি বন ও ভূমি দফতর কেন্দ্রিক কাজের ভিত্তিতেই- এমনটাই জানালেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী।

তিনি আরো জানান, এদিনের সভায় সর্বসম্মতিতে তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্ট জুডিশিয়াল কমিশনারের কাছে পাঠানো হবে। রিম্যুভাল ডিক্লিয়ারের পর কীভাবে নতুন কর্মাধ্যক্ষ নিয়োগ করা যায় সে ব্যাপারে স্থায়ী সমিতি আবার মিটিংয়ে বসবে।

Read more: মুসলিম পুরুষদের একাধিক বিয়ে রেজিস্ট্রিতে বাধা নেই: বম্বে হাইকোর্ট

বলা বাহুল্য একেএম ফারহাদ এর বিরুদ্ধে বেশ কয়েক মাস আগে এক মহিলার সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা ও অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। জনমহলে এই নিয়ে হইচই পড়ে যায় এবং তারই ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। যদিও এ বিষয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি, বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ একেএম ফারহাদ সহ স্থায়ী সমিতির কোনো সদস্য কেউই মুখ খুলতে চাননি।