০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইচ্ছেমত প্রাইভেট প্র্যাকটিস নয়, চিকিৎসকদের নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ নিজের মর্জিমতো আর প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চাকরিরত চিকিৎসকরা। সপ্তাহের কোনদিন কতক্ষন সরকারি হাসপাতালে ডিউটি বাধ্যতামূলক করতেই নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।প্রতি সপ্তাহে সোমবার থেকে শনিবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজের কোনো শিক্ষক চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না বলে স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা ।

আরও পড়ুনঃ তামিলনাড়ুর বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত অন্তত ৬

আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় শুরু হয়েছিল জোরালো প্রতিবাদ আন্দোলন। আর ওই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের একাংশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অভিযোগ উঠেছিল।

 

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমের জারি করা ৮ পাতার নয়া নির্দেশিকায় সরকারি শিক্ষক–চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের  স্বার্থে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে  আপদকালীন পরিষেবার উন্নতি ছাড়াও মেডিক্যাল কলেজগুলির গবেষণার গুণগত মানোন্নয়নের স্বার্থে একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

 

টানা ১২ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষক–চিকিৎসককে সপ্তাহে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা ডিউটি করতে হবে। রাতে  যে ডাক্তার অন কল ডিউটিতে থাকবেন, তিনি পরদিন ‘ডে অফ’ নিতে পারবেন না।

এছাড়াও একই ইউনিটের দু’‌জনের বেশি শিক্ষক–চিকিৎসক একযোগে ছুটি নিতে পারবেন না বলেও নির্দেশিকায় উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগকে সপ্তাহের ৬ দিন জেনারেল আউটডোর চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর মৃত্যু হলে ‘ডেথ অডিট’ বাধ্যতামূলক করার কথা যেমন বলা হয়েছে, তেমনি মাইক্রোবায়োলজি, প্যাথোলজি, ফিজিওলজি–সহ প্রি ও প্যারা ক্লিনিক্যাল চিকিৎসকদেরও আউটডোরে কাজে লাগানো যেতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়।

 

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

১১০ উড়ান হারাতে চলেছে ইন্ডিগো, বিরোধীদের তোপের পরই উড়ান সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ কেন্দ্রের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইচ্ছেমত প্রাইভেট প্র্যাকটিস নয়, চিকিৎসকদের নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

আপডেট : ৪ জানুয়ারী ২০২৫, শনিবার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ নিজের মর্জিমতো আর প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না সরকারি চাকরিরত চিকিৎসকরা। সপ্তাহের কোনদিন কতক্ষন সরকারি হাসপাতালে ডিউটি বাধ্যতামূলক করতেই নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।প্রতি সপ্তাহে সোমবার থেকে শনিবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরকারি মেডিক্যাল কলেজের কোনো শিক্ষক চিকিৎসক প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না বলে স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে।স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা ।

আরও পড়ুনঃ তামিলনাড়ুর বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত অন্তত ৬

আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় শুরু হয়েছিল জোরালো প্রতিবাদ আন্দোলন। আর ওই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সরকারি চিকিৎসকদের একাংশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অভিযোগ উঠেছিল।

 

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমের জারি করা ৮ পাতার নয়া নির্দেশিকায় সরকারি শিক্ষক–চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ রোগীদের  স্বার্থে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে  আপদকালীন পরিষেবার উন্নতি ছাড়াও মেডিক্যাল কলেজগুলির গবেষণার গুণগত মানোন্নয়নের স্বার্থে একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

 

টানা ১২ ঘণ্টার বেশি ডিউটি করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, প্রত্যেক শিক্ষক–চিকিৎসককে সপ্তাহে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা ডিউটি করতে হবে। রাতে  যে ডাক্তার অন কল ডিউটিতে থাকবেন, তিনি পরদিন ‘ডে অফ’ নিতে পারবেন না।

এছাড়াও একই ইউনিটের দু’‌জনের বেশি শিক্ষক–চিকিৎসক একযোগে ছুটি নিতে পারবেন না বলেও নির্দেশিকায় উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগকে সপ্তাহের ৬ দিন জেনারেল আউটডোর চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর মৃত্যু হলে ‘ডেথ অডিট’ বাধ্যতামূলক করার কথা যেমন বলা হয়েছে, তেমনি মাইক্রোবায়োলজি, প্যাথোলজি, ফিজিওলজি–সহ প্রি ও প্যারা ক্লিনিক্যাল চিকিৎসকদেরও আউটডোরে কাজে লাগানো যেতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়।